বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪১ অপরাহ্ন
বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানিস্বল্পতা প্রকট। গ্যাসের সংকট পুরোপুরি কাটেনি। ব্যয়বহুল জ্বালানি তেল থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে না।
ফলে বেড়ে গেছে লোডশেডিং। পিডিবি ও পিজিসিবির তথ্য বলছে, কয়েক দিন ধরে প্রতিদিন সর্বোচ্চ লোডশেডিং হচ্ছে তিন হাজার মেগাওয়াটের বেশি।
বিদ্যুৎ খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ঢাকার বাইরের জেলাগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি পোহায় মানুষ। তবে বৃষ্টি নামলে বিদ্যুৎ চাহিদা কমে, মানুষ কিছুটা স্বস্তি পায়।
দেশে আমদানিসহ স্থাপিত বিদ্যুেকন্দ্রগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ২৯ হাজার মেগাওয়াট। কিন্তু সক্ষমতার অর্ধেক চাহিদা উঠলেই সামাল দিতে পারছে না বিদ্যুৎ খাত।
মূলত গ্যাস ঘাটতি, পায়রা ও আদানির কেন্দ্র থেকে উৎপাদন কমে যাওয়া এবং ব্যয়বহুল তেলচালিত কেন্দ্র পর্যাপ্ত পরিমাণে চালানোর মতো আর্থিক সক্ষমতার অভাব থাকায় বিদ্যুতের উৎপাদন ও সরবরাহে বড় ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এর ফলে সারা দেশেই লোডশেডিং চলছে। সবচেয়ে বেশি লোডশেডিং হচ্ছে গ্রামাঞ্চলে। বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হওয়ার কারণে বিদ্যুতের চাহিদা কিছু কম। গরম বাড়লে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি আরো নাজুক হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।