শনিবার, ২০ Jul ২০২৪, ০৬:১৩ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
কাঠালিয়ায় শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচিতে বাঁধা, পুলিশের লাঠিচার্জ ও ইট পাটকেল নিক্ষেপ, আহত-৪ কাঁঠালিয়ায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে মসজিদের ইমামের সংবাদ সম্মেলন কাঠালিয়ায় হেলিকপ্টারে করে বউ আনলেন সুমন তালুকদার কোটা আন্দোলন : এক দিনে গেল ছয় প্রাণ সারা দেশে সব স্কুল–কলেজে ক্লাস বন্ধ ঘোষণা জাতীয় নৃত্য প্রতিযোগিতায় ঝালকাঠির মেয়ে সুকন্যার স্বর্ণপদক জয় কোটা আন্দোলনকারীদের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা কাঠালিয়ায় এক কলেজ ছাত্রী র’ক্তা’ক্ত, থানায় অভিযোগ ঝালকাঠিতে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু কাঠালিয়ায় যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম এর চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
কাঠালিয়ায় জরাজীর্ণ ঘরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেনের বসবাস

কাঠালিয়ায় জরাজীর্ণ ঘরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেনের বসবাস

বার্তা ডেস্ক:

ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় একটি জরাজীর্ণ ঘরে দীর্ঘদিন ধরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেন (৬৭) বসবাস করছেন। তিনি উপজেলায় শৌলজালিয়া ইউনিয়নের দক্ষিন শৌলজালিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার মনু মিঞা। তিনি কাঠালিয়া উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার। বিয়ে না করায় নেই পরিবারও। দীর্ঘদিন ধরে তিনি একটি জড়াজীর্ন ও বিদ্যুৎবিহীন ঘরে বসবাস করছেন। ঘরে নেই কোন জানালাও। প্রবেশের জন্য রয়েছে মাত্র একটি দরজা। দিনের বেলাও অন্ধকার ঘরে মশারি টানিয়ে বিশ্রাম নিতে হয় বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেনের। এলাকাবাসী তাকে সাদা মনের মানুষ হিসাবে চেনেন।

জানা যায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেন ওরফে ছালে মিয়া বরগুনায় লেখাপড়া কালীন সময় ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন। ভারতে গিয়ে নেন প্রশিক্ষনও। পরে সাব সেক্টর কমান্ডার মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে বিভিন্ন এলাকায় যুদ্ধ করেন।

এছাড়া ২৫-৩০ বছর পূর্বে একই এলাকার অসহায় নারী সাফিয়া বেগম (৬০) কে তার ঘরে আশ্রয় দেন মোয়াজ্জেম হোসেন। দুজনেই একই ঘরে ভাই-বোনের সম্পর্ক নিয়ে বাস করে আসছেন দীর্ঘদিন থেকে। সাফিয়া বেগম মানসিক প্রতিবন্ধী।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, আমি উপজেলা কমান্ডার। এ উপজেলায় ১৪ জন মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে যাদের গৃহ নির্মান অত্যান্ত প্রয়োজন। তাদের তালিকা দেওয়া হয়েছে এবং ১৪ জনের মধ্যে ১২ জনের নামে ঘর বরাদ্দ হয়েছে। উপজেলার এ সকল শ্রেণিভূক্ত মুক্তিযোদ্ধার ঘর নির্মানের পরেই আমি ঘর চাইতে পারি, তার পূর্বে ঘরের জন্য নাম দেওয়া হলে নীতি বর্হিভূত হবে। মুক্তিযোদ্ধা নেতা হিসাবে ঘর চাওয়াটা আমার জন্য সমুচিত নয়।

এ ব্যাপারে শৌলজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মাহমুদ হোসেন রিপন জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন ছালেকে একটি সরকারি ঘর দেয়া হয়েছিলো। সে ঘরটি তার ভাইয়ের ছেলে আওয়ামীলীগ নেতা কিবরিয়া দখল করে নিয়েছে। সাফিয়া বেগম কোন প্রকার ভাতার জন্য আমাদের কাছে আসেনি। তিনি চাইলে ভাতার ব্যবস্থা করা হবে।

 

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

সম্পাদকীয় কার্যালয়: কাঠালিয়া বার্তা
কলেজ রোড, কাঠালিয়া, ঝালকাঠি।
মোবাইল: 01774 937755









Archive Calendar

Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  




All rights reserved@KathaliaBarta 2023
Design By Rana