বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০১ অপরাহ্ন

কাঠালিয়ায় অটোচালকের রহস্যজনক মৃত্যু, পরিবারের দাবি বিষপান করিয়ে হত্যা

কাঠালিয়ায় অটোচালকের রহস্যজনক মৃত্যু, পরিবারের দাবি বিষপান করিয়ে হত্যা

বার্তা ডেস্ক:

ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় হাবিবুর রহমান (৫৪) নামে এক অটোচালকের বিষপানে মৃত্যু হয়েছে। তবে পরিবারের দাবি তাকে পরিকল্পিত ভাবে বিষপান করিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গত শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের বাজার সংলগ্ন বালুর কেল্লার সামনে এ ঘটনা ঘটে। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নেয়া হলে সেখান থেকে বরিশাল শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়। মৃত অটোচালক হাবিবুর রহমান জাঙ্গালিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

আজ সোমবার দুপুরে মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. তানভীর মীর জানান, আমার বাবা একজন অটোচালক। পূর্বছিটকী গ্রামের রব হাওলাদারের ছেলে মো. হাচান আমার বাবার কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে চাঁদা আদায় করতো। একপর্যায়ে আমার বাবা চাঁদা না দিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে বিচার দেয়। কিন্তু সে বিচার করে নায়। এতে হাচান ও তার সহযোগীরা ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বাবাকে মারধর করে বিষপান করায়।

হাবিবুর রহমানের জামাতা মো. শামীম বলেন, বাজার থেকে খবর আসে আমার শশুর অসুস্থ হয়ে পড়ছে। তখন তাৎখনিক আমি ছুটে গিয়ে দেখি তার হাতের কাছে দুটি বিষের বোতল। তখন আমি তাকে চিকিৎসার জন্য অটোতে উঠানোর সময়ে তিনি সবার সামনে বলেন ‘‘আমার মৃত্যুর জন্য হাচান দায়ি। হাচান আমাকে বাঁচতে দিলো না। কালও আমার গাড়ি থামিয়ে সাড়ে ৪ হাজার টাকা নিয়ে গেছে।’ আমি আমার শশুরের হত্যা কারিদের বিচার চাই।

এদিকে ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক মো. হাচানের সাথে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। তার বাড়িতে গেলেও তাকে এবং তার কোনো স্বজনকেও পাওয়া যায়নি।

আওরাবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. মিঠু সিকদার বলেন, এ বিষয়ে হাবিবুর রহমান নামের কোন লোক আমার কাছে কোন বিচারের জন্য আসেনি। আমি কিভাবে বিচার করবো।

এ বিষয়ে কাঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, ‘এ ঘটনায় বরিশালের কোতয়ালী মডেল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসার পরে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

 

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন












All rights reserved@KathaliaBarta 2016-2026
Design By Rana