সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন

কাঠালিয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ আউরা খালের ব্রিজ স্বেচ্ছাশ্রমে মেরামত করলো এলাকাবাসী

কাঠালিয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ আউরা খালের ব্রিজ স্বেচ্ছাশ্রমে মেরামত করলো এলাকাবাসী

কাঠালিয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ আউরা খালের ব্রিজ স্বেচ্ছাশ্রমে মেরামত করলো এলাকাবাসী

ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলা সদরে দক্ষিণ আউরা খালের উপর ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটি স্বেচ্ছাশ্রমের মেরামত করেছে এলাকাবাসী। শনিবার (৯ আগস্ট) সকাল ১১ টায় এলাকাবাসী এ কর্মসূচি পালন করে।

১৯৬১ সালে ঝালকাঠির জেলা পরিষদ কাঁঠালিয়া উপজেলা সদরের দক্ষিণ আউরা খালের উপর এ ব্রীজটি নির্মাণ করে দীর্ঘ ৬৫ বছরের পুড়ানো এ লোহার ব্রিজটি তেমন কোনো সংস্কার করা হয়নি। লক্কর-জক্কর এ ব্রিজটিতে একজন মানুষ পারাপারের সময় হেলে দুলে পড়ে। অথচ এ ব্রিজটির পূর্ব পাশের্^ ১০ মিটারের মধ্যে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিস, ভ‚মি অফিস, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, বিআরডিবি, উপজেলা ভূমি অফিস, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, উপজেলা জনস্বাস্থ্য অফিস ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, উপজেলা পরিষদ, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাসহ সরকারী বেসরকারী বিভিন্ন স্থাপনা রয়েছে। এ সকল প্রতিষ্ঠানে আগত লোকজনকে এ ঝুকিপূর্ন ব্রিজটি পারাপার করতে হচ্ছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিভিন্ন সময় লক্কর-জক্কর এ ব্রিজটি পারাপার হতে গিয়ে একাধিক শিক্ষার্থী খালে পরে গুরুতর আহত হয়েছে। ভুক্তভোগী এলাকাবাসী উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদে দীর্ঘদিন ধরনা ধরেও কোন সমাধান না পেয়ে নিরাশ হয় ক্ষোভে স্বেচ্ছায় এ ব্রীজটি বাঁশ দিয়ে মেরামত করেন।  দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্রীজটি ভেঙ্গে কংক্রিট ব্রিজ নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর।

সামাজিক আন্দোলন কাঁঠালিয়ার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ অমিত হাসান তুহিন জানান, এ আউরা খালের ব্রিজটি উপজেলা পরিষদ থেকে ১০ গজ দূরে ঝুঁকিপূর্ন ব্রিজ। আমরা এ ব্রিজটির সংস্কার চাই না, এখানে একটি গার্ডার ব্রিজ বা টেকসই ব্রিজ নির্মানের জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।

কাঁঠালিয়া স্কুল এন্ড কলেজের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ হারুন অর রশিদ বলেন, ১৯৬১ সনে এ ব্রিজটি নির্মান করা হয়েছে। গত ১৭ বছরের শাসন আমলে কয়েকটি ¯øাব পাল্টানো হয়েছি। তাছাড়া আমরা আর কিছু সংস্কার দেখিনি। স্থানীয় ঔষুধ ব্যবসায়ী মোঃ নাহিদ ইসলাম জানান, এ ব্রিজটি পারাপার করতে গিয়ে একাদিক শিক্ষার্থী ও পথচারী পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে।

স্থানীয় চিশতিয়া দরবারের প্রধান খাদেম মোঃ মেহেদী হাসান উজ্জ্বল বলেন- এ ব্রিজটি খুবই ঝুঁকিপূর্ন থাকায় বৃদ্ধ, রোগী ও শিশুরা পারাপার করতে পারছে না।

 

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন












All rights reserved@KathaliaBarta 2016-2026
Design By Rana