রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ০২:২০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
ঝালকাঠিতে নির্বাচনী প্রচারণা শেষে ফেরার পথে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৭ কাঠালিয়ায় ভোট যুদ্ধে এগিয়ে সাহিদা আক্তার বিন্দু, নির্বাচনী প্রতীক ‘প্রজাপতি’ শান্তিপুর্ণ পরিবেশ ও সহিংসতা প্রতিরোধে কাঠালিয়ায় পিএফজির লিফলেট বিতরণ কাঠালিয়ায় প্রতীক পেয়েই ভোটের মাঠে প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত প্রার্থীরা কাঠালিয়ায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কে কোন মার্কা পেলেন দেখে নিন! কাঠালিয়ায় আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীকে জরিমানা কাঠালিয়ায় এসএসসি ও সমমানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫১ শিক্ষার্থী কাঠালিয়ায় দূর্বৃত্তদের আগুনে পুড়ে ছাই বীরমুক্তিযোদ্ধা বসত ঘর কাঠালিয়ায় আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীকে জরিমানা কাঠালিয়া উপজেলা যুবদলের আহবায়ক পদ থেকে রাসেল সিকদারকে অব্যাহতি
অর্থভাবে বিনা চিকিৎসায় মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের ইন্তেকাল

অর্থভাবে বিনা চিকিৎসায় মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের ইন্তেকাল

অর্থভাবে বিনা চিকিৎসায় মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের ইন্তেকাল

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ

বাবা ছিলেন ৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধের সম্মুখ যোদ্ধা। বাংলাদেশকে বাঁচাতে, দেশের মানুষকে বাঁচাতে, মা বোনের ইজ্জত বাঁচাতে নিজ পরিবারের কথা না ভেবে ঝাঁপিয়ে পরেছিলেন মুক্তিযুদ্ধে। যেই বাবা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন দেশের জন্য সেই বাবার সন্তান আজ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন অর্থভাবে বিনা চিকিৎসায়।

বলছি ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার সত্যনগর এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত শেখ এনছান আলীর কনিষ্ঠ সন্তান মাহমুদুল ইসলাম রনির (৩৫) কথা। শুক্রবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যা ৭ টা ৩০ মিনিটের দিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেক্টাম ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

বাংলাদেশের ডাঃ বলছিল ইন্ডিয়া গিয়ে অপারেশন করাতে। কিন্তু তাতে সব খরচ মিলিয়ে বিশ থেকে পঁচিশ লক্ষ টাকার দরকার ছিল। কিন্তু রনির কাছে মুক্তিযুদ্ধের সন্তানের আত্মসম্মান ছাড়া আর কিছুই ছিলনা। দুইবার ইন্ডিয়া যাওয়ার জন্য ভিসার আবেদন করলেও ৫০ হাজার টাকার ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেয়ায় বাতিল করা হয় আবেদন। যেই দেশে রাজাকারের সন্তান জীবনযাপন করে উচ্চ বিলাসি আর সেই দেশের মুক্তিযুদ্ধের সন্তান মারা যায় অসহায়ের মত। এই জন্যই কি স্বাধীন করতে ঝাপিয়ে পরেছিল মুক্তিযোদ্ধারা?

ছোট একটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে রনি চালাতো পাঁচ বছরের এক সন্তান সহ নিজের সংসার। তিন বছর যাবৎ এই রোগের চিকিৎসা করতে গিয়ে নিজ সম্পদের প্রায় সবটুকুই হারিয়েছিল। আজ নিজ সন্তান এবং স্ত্রীর ভবিষ্যত অন্ধকার করে নিজেই পারি জমিয়েছে পরপারে। রনি আর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের প্রপ্য বুঝে পেতে ফিরে আসবেনা কোনদিন। কিন্তু আর কতকাল রনিরা এমন বিনা চিকিৎসায় মারা যাবে? এমন দিনের অপেক্ষায়ই কি রনিদের বাবারা ঝাপিয়ে পরেছিল মুক্তিযুদ্ধে?

 

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




Archive Calendar

Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  




All rights reserved@KathaliaBarta 2023
Design By Rana